২০৩১ সালেই শেষ হবে গ্যাসের মজুত !!!!! - SongbadProtidin24Online.com

সর্বশেষ সংবাদ

SongbadProtidin24Online.com

সবার আগে নতুন সংবাদ প্রতিদিন

আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Sunday, June 28, 2015

২০৩১ সালেই শেষ হবে গ্যাসের মজুত !!!!!


দেশে  গ্যাসের ব্যবহার অপরিবর্তিত থাকলে ২০৩১ সালের মধ্যেই মজুদ শেষ হয়ে যাবে বলে সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

রোববার সকালে দশম সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকার দলীয় সংসদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশে প্রাথমিকভাবে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ছিল ২৭ দশমিক ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। এ পর্যন্ত (মে-২০১৫) ১২ দশমিক ৯৬ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে ১৪ দশমিক ১৬ টিসিএফ গ্যাস মুজত রয়েছে (জুন-২০১৫)।

তিনি আরো বলেন, ‘চলতি ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর (মে-২০১৫) পর্যন্ত ৮১৫ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট  (বিসিএফ) গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে। উত্তোলনের এই হার অপরিবর্তিত থাকলে আরো প্রায় ১৬ বছর অর্থাৎ ২০৩১ সাল পর্যন্ত মজুত গ্যাস ব্যবহার করা যাবে। বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ভবিষ্যতে গ্যাসের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে। ফলে গ্যাসের মজুদ হ্রাস পেলে অপরিবর্তিত হারে উৎপাদন বজায় রাখা সম্ভব হবে না।’

সময়ের সাথে সাথে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে বিদ্যমান ফিল্ডসমূহের উৎপাদন ক্ষমতাও কমতে থাকবে।এই অবস্থায় বর্ধিত ঘাটতিসহ ১৬ বছরের বেশি সময় স্বল্পহারে এই গ্যাস ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সরকার দলীয় সাংসদ এনামুল হকের আরেক প্রশ্নের জবাবে বিদুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গ্যাসের চাহিদা ও ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদার সাথ সামঞ্জস্য রেখে উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত কয়েক বছরের গ্যাসের উৎপাদন যথেষ্ট বৃদ্ধি পেলেও এখনও দেশে বিদ্যমান গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় অবশিষ্ট ভোক্তাদের প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে।’

দেশে প্রতিনিয়ত এলপিজি গ্যাসের চাহিদা বাড়লেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নাই। ফলে নির্ধারিত মূল্যের কয়েক গুন বেশি মূল্যে গ্রাহকদের এলপিজি সংগ্রহ করতে হচ্ছে- সরকার দলীয় ওই সাংসদের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এলপিজির প্রকৃত চাহিদা সংক্রান্ত সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। সরকারি পর্যায়ে এলপি গ্যাস লিমিটেড ও কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টের মাধ্যমে বছরে ২০ হাজার মেট্রিকটন  (১৬ লাখ সিলিন্ডার) এলপিজি বোতলজাত করা হয়। চাহিদার অবশিষ্ট অংশ বেসরকারি পর্যায় থেকে পূরণ করা  হচ্ছে।

গৃহস্থালীতে এলপিজিকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও এ সময় উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

সতর্কবাণীঃ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here