জিয়াউর রহমান রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়।
তিনি
বলেন, 'সত্য আর মিথ্যা, পাকিস্তান আর স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে কী
নিরপেক্ষ থাকা যায়? যারা রাজাকারদের সঙ্গে রাজনীতি করে তারাও কী রাজাকার
নয়? সত্যিকার অর্থে বিএনপি রাজাকারের দল। জিয়াউর রহমান রাজাকারদের
প্রতিষ্ঠিত করেছেন।'
শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে
সুচিন্তা ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও
সুশাসন' শীর্ষক সেমিনারে এ সব কথা বলেন তিনি।
জয় আরও বলেন, 'এখন আমাদের কোনো দেশকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্য দেশ
কী বলে, না বলে তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা স্বাধীন দেশ। আমরা
আমাদের মতো চলবো।'
তিনি বলেন, 'ইতিহাসে অনেক কালো
দিন গেছে। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই আমরা এতদূর
এসেছি। একাত্তরে বিশ্বের 'মহান' একটি দেশ পাকিস্তানকে অস্ত্র ও বোমা দিয়ে
আমাদের স্বাধীনতা ঠেকাতে চেয়েছিলো।'
সত্তরের
নির্বাচনেও কিন্তু দেশের সব মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়নি-উল্লেখ করে জয়
বলেন, 'এক শ্রেণীর মানুষ পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলকেও ভোট দিয়েছে। তারা কারা
সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে। তাদের চিহ্নিত না করলে হবে না।'
পঁচাত্তরের পর স্বৈরাচারের সৃষ্টি করা বিএনপিতে সুবিধাবাদীরা যোগ দেয় ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তরুণ এ তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বলেন, 'সাঈদীকে যখন আদালত আমৃত্যু
কারাদণ্ড দেন, তখন অনেকেই বলেছিল, জামায়াতকে বাঁচাতেই এমন রায়। তাদের
উদ্দেশে বলতে চাই, জামায়াতকে যদি বাঁচাতেই হয়, তাহলে জন কেরির অনুরোধ
অমান্য করে কি আমরা কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিতাম? সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন
একটি আদালত। আদালতের রায়ের বিষয়ে সরকার কী করতে পারে?
দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে বলেই মুক্তভাবে, স্বাধীনভাবে আলোচনা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সেমিনারে
সূচনা বক্তব্য রাখেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ এ আরাফাত। আরও
বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, চিত্রশিল্পী হাসেম
খান প্রমুখ।


No comments:
Post a Comment