রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের জরুরি বিভাগে স্ত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেছেন এক স্বামী। পরে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম হুমায়রা খাতুন সোনিয়া (২৬)।
পরে পুলিশ সোনিয়ার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, ‘মৃতের গলায় কালো দাগ রয়েছে।’
সোনিয়ার ছোট ভাই রফিক উদ্দিন রাফি জানান, তার বোনের স্বামীর নাম ফারুক আহমেদ। ৯ বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। ফারুক স্ক্যান সিমেন্টের নারায়নগঞ্জের পাগলা এরিয়ার প্রধান মার্কেটিং কর্মকর্তা।
রফিকের অভিযোগ, ফারুক সম্প্রতি সোনিয়ার কাছে যৌতুক বাবদ ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে প্রায়ই সোনিয়ার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন ফারুক। এর মধ্যে মনিপুর এলাকার তিন্নি নামে এক নারীর সঙ্গে ফারুক পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
মিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ মিয়া বলেন, ‘মৃতের ভাই রফিক উদ্দিন রাফির দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি শ্বাসরোধ করে হত্যা- তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যাবে।’
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনিয়াকে হাসপাতালে আনেন ফারুক। জরুরি বিভাগে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন যে, হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় চিকিৎসকরা মৃতের স্বামীকে খুঁজে পাননি।


No comments:
Post a Comment