ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক !!!!! - SongbadProtidin24Online.com

সর্বশেষ সংবাদ

SongbadProtidin24Online.com

সবার আগে নতুন সংবাদ প্রতিদিন

আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন

test banner

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Saturday, November 8, 2014

ছাত্রের কানের পর্দা ফাটালেন শিক্ষক !!!!!


বগুড়া জিলা স্কুলের এক শিক্ষকের চড়ে শ্রবণশক্তি হারাতে বসেছে সাদমান সাকিব নামে এক ছাত্র।

গত ২৯ অক্টোবর সকালে ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করেন প্রধান শিক্ষক। লিখিত অভিযোগ না পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি তিনি চেপে যান।

আহত সাদমান সাকিব স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ‘খ’ শাখার ছাত্র।

চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, চড় মারার কারণে ওই ছাত্রের কানের পর্দা ফেটে গেছে। এ জন্য কৃত্রিম পর্দা প্রতিস্থাপন না করলে শ্রবণশক্তি আর ফিরে পাবে না।

চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করার পর অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর শনিবার ঘটনাটি জানতে পারেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বগুড়া জিলা স্কুলের অভিযুক্ত ওই সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিমের (ইংরেজি) অপসারণ দাবি করেছেন।


অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, ঘটনার দিন গত ২৯ অক্টোবর সকালে বগুড়া জিলা স্কুল মাঠে দৈনিক সমাবেশের ( অ্যাসেম্বলি) জন্য লাইনে দাঁড়ায় শিক্ষার্থীরা। এসময় ছাত্ররা হৈ চৈ শুরু করলে সাদমান সাকিবের বাম কানে থাপ্পড় মারেন শিক্ষক আব্দুর রহিম। সঙ্গে সঙ্গে সাকিব মাটিতে পড়ে যায়। পরে তাকে ক্লাসে নিয়ে গিয়ে বিশ্রামে রাখা হয়।

স্কুল ছুটির পর সাকিব বাড়িতে গিয়ে তার বাবা মাকে ঘটনাটি জানায়। এরপর তার বাবা হাসানুজ্জামান সেলিম ছেলেকে নিয়ে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের কনসালটেন্ট নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউল আহসানের কাছে নিয়ে যান।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডা. জিয়াউল আহসান জানান, আঘাতের কারণে সাকিবের বাম কানের পর্দা ফেটে গেছে। কৃত্রিম পর্দা প্রতিস্থাপন করা না হলে বাম কানে শ্রবণ শক্তি ফিরে আসবে না।

পরদিন ৩০ অক্টোবর সাকিবের বাবা স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানান। প্রধান শিক্ষক ঘটনা শুনে সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিমকে ডেকে ভুল স্বীকারের মাধ্যমে সমঝোতা করে দেন।

কিন্তু ঘটনাটি অন্যান্য অভিভাবকদের মধ্যে জানাজানি হলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা দায়ী শিক্ষক ছাড়াও জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অপসারন দাবি করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক  সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে  বলেন, ছাত্রদের শারীরিক নির্যাতনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জিলা স্কুলের শিক্ষকরা ছাত্রদের নির্যাতন করছেন। প্রধান শিক্ষক নিজেও ছাত্রদের বেত্রাঘাত করে থাকেন। এসব বিষয়ে বলতে গেলে অভিযোগকারীর সন্তানকে স্কুল থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক। এ কারণে ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করেন না।

সাদমান সাকিবের বাবা হাসানুজ্জামান সেলিম  সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে  বলেন, ’চিকিৎসক জানিয়েছেন ছেলের কানের পর্দা ফেটে গেছে। সেখানে কৃত্রিম পর্দা প্রতিস্থাপন করতে হবে।’ ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই শিক্ষক ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করিনি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুর রহিম ভুল স্বীকার করে সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, ‘এটা একটি দুর্ঘটনা।’ তিনি এরপর থেকে আর কোনোদিন ছাত্রদের গায়ে হাত তুলবেন না বলেও জানান।

বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, ‘অফিসিয়ালি বিষয়টা জানিনা। তবে মৌখিকভাবে শুনেছি।’ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কয়েকদিন হরতারের কারনে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।’

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here