পাবনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নয় দিন পরও সন্ধান মেলেনি।
গত ১২ নভেম্বর আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুল বাছেদকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়।
তবে, ডিবি পুলিশ এ ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে আসছে।
বাছেদের স্ত্রী লাভলী খাতুন সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, গত ১২ নভেম্বর ভোরে পাবনা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বারইপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে বাছেদকে নিয়ে যায় একদল লোক। পরে তার খোঁজ নিতে পাবনা ডিবি অফিসে গেলে আটকের বিষয়টি তারা অস্বীকার করে তারা।
তিনি অভিযোগ করেন, অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে আটঘরিয়া থানায় এ ব্যাপারে একটি এজহার দায়ের করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।
পুলিশের এ ব্যাপারে কোনো তৎপরতা নেই বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী গোলাপী খাতুন সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, “ওই রাতে বাছেদ আমাদের বাড়ির বাইরের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরের দিকে সাদা পোশাকে অস্ত্র হাতে কয়েকজন লোক বাড়ির চারদিক ঘিরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন টিনের বেড়া ভেঙে বাড়িতে ঢুকে বাছেদকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে এসে বন্দুক দিয়ে ঘাড়ের উপর কয়েকটি আঘাত করে এবং মুখে কাপড় গুঁজে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।”
এ ব্যাপারে আটঘরিয়া থানার ওসি আলমগীর লেলিন সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, “বিষয়টি লোক মুখে শুনেছি।তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিতে আসেনি।”
বাছেদ পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিল জানিয়ে বিষয়টির খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ওসি।
পাবনা ডিবি পুলিশের ওসি কাজী হানিফুল ইসলাম সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ডিবি পুলিশ জড়িত নয়। ডিবি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে কোনো সন্ত্রাসী গ্রুপ বাছেদকে অপহরণ করতে পারে।
পাবনার পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে বলেন, “বাছেদ পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিল। তবে ঘটনার দিন আমাদের কোনো টিম সেখানে যায়নি। তার বিপক্ষের লোকজন তাকে অপহরণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।” তবে, তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
সতর্কবাণীঃ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।


No comments:
Post a Comment