সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনে যেতে চায় ২০ দলীয় জোট। শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ ব্যাপারে সবাই একমত হয়েছেন।
বৈঠকে শরিক দলের শীর্ষ নেতারা জোট প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে কর্মসূচির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দেন। রাত সোয়া ৯টায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে ১১টা পর্যন্ত। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৈঠক শেষ করে গণমাধ্যমে কথা বলেননি তারা।
তবে বৈঠকের একাধিক সূত্র সংবাদ প্রতিদিন২৪ অনলাইন ডটকমকে জানিয়েছেন, সরকার পতনের এক দফা কর্মসূচি নিয়ে শিগগিরই ২০ দলীয় জোট রাজপথে কর্মসূচি পালন করবে। বেগম খালেদা জিয়া রাজপথে থেকে এসব কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন। আগামী ২৯ নভেম্বর কুমিল্লা জনসভার পর আবারো ২০ দলের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। শনিবারের বৈঠকেও জোট নেতারা বিভিন্ন কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছেন। বিদ্যুতের দাম যাতে সরকার না বাড়াতে পারে সেজন্য জনমত তৈরির জন্য বিক্ষোভ কর্মসূচি দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর বিদ্যুতের দাম বাড়ালে ২০ দল হরতাল পালন করবে।
এদিকে সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর একক হরতাল কর্মসূচিতে কাঙ্ক্ষিত পিকেটিং না থাকায় বেগম খালেদা জিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা ইসহাক বৈঠকে এক পর্যায়ে বলেন, ‘ম্যাডাম জামায়াতে ইসলামীতো কঠোর কর্মসূচি পালন করে।’ এসময় বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখেছি গত হরতালে তারা কেমন পিকেটিং করেছে!’
খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনপিপি সভাপতি ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহামান ইরান, ইসলামিক পর্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিজেপির সভাপতি আন্দালিভ রহমান পার্থ, জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ড. রেদোয়ান উল্লাহ শাহিদি, ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, সাম্যবাদী দলের মহাসচিব এম এ সাইদ, ডিএল মহাসচিব সাইফুদ্দিন মনি প্রমুখ।
সতর্কবাণীঃ
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।


No comments:
Post a Comment